Media

26 August 2025

Back

বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ বিষয়ে সামিটের প্রতিবাদ

জনাব আবু তাহের 
সম্পাদক 
বাংলাদেশ প্রতিদিন 
ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ পিএলসি
প্লট নং-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯
মাননীয় সম্পাদক,

আপনার বহুল প্রচারিত পত্রিকায় গত ২০ এবং ২১ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত ‘দেশের টাকা লুট করে বিদেশে শীর্ষ ধনী’ ও ‘বিদ্যুৎ খাতে মাফিয়া লুটেরা’ – প্রথম ও দ্বিতীয় পর্ব সম্পর্কে প্রতিবাদ জানাচ্ছি। 

১। আপনার প্রতিবেদনে সঠিকভাবে লেখা হয়েছে, “২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের মার্চ পর্যন্ত কেবল সামিট গ্রুপকে ৪ হাজার ৪০৬ কোটি ৩৫ লাখ টাকা শুধু ক্যাপাসিটি চার্জ হিসেবে পরিশোধ করা হয়েছে, যা এ সময়ের মধ্যে পরিশোধিত মোট ক্যাপাসিটি চার্জের প্রায় ১২ দশমিক ৫৭ শতাংশ।” আপনার এই তথ্য অনুযায়ী, প্রতিফলিত হয় যে, বিদ্যুৎখাতে সামিটের একক নিয়ন্ত্রণ নেই এবং এ সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

২। আপনার ওই প্রতিবেদনে আরও লিখেছেন, “দেশে গ্যাসসংকট থাকলেও সামিট গ্রুপকে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অনুমোদন দেওয়া হয়। সর্বশেষ দেশে গ্যাসসংকটের মধ্যে গত বছর নারায়ণগঞ্জের মেঘনাঘাটে সামিটকে প্রায় ৬০০ মেগাওয়াট গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের অনুমতি দেয় এবং এ কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহের জন্য কুমিল্লা থেকে মেঘনাঘাট পর্যন্ত পাইপলাইন নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সরকার।” উল্লেখিত এই তথ্যটিও সত্য নয়। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি, সামিট মেঘনাঘাট-২ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির পর সরকার আরও দুটি কোম্পানিকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের অনুমতি দিয়েছে, যেগুলোর সক্ষমতা যথাক্রমে ৭১৮ মেগাওয়াট ও ৫৮৪ মেগাওয়াট। বর্তমানে এই দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্র মেঘনাঘাটে পরিচালতি হচ্ছে। অর্থাৎ, আপনার এই অভিযোগটিও ভিত্তিহীন এবং পক্ষপাতমূলক। 

৩। বাংলাদেশের অন্য সকল এইচএফও-ভিত্তিক (HFO) বিদ্যুৎকেন্দ্র যেভাবে তেল আমদানি করে, তাঁদের মতো সামিটও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তেল আমদানি করে। এই খাতের সকল কোম্পানি নির্ধারিত সূচক মেনে তেলের মূল্য পরিশোধ করে। সর্বোপরি, এইচএফও (HFO) আমদানির জন্য বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) কাছ থেকে লাইসেন্স এবং নো-অবজেকশন-সার্টিফিকেট (NOC) নিতে হয়। উপরন্ত, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) এই খাতে জড়িত সকল এইচএফও (HFO) আমদানি প্রক্রিয়াকে সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করে। 

আপনার নন্দিত পত্রিকায় ব্যক্তিগত তথ্য যা পুরোপুরি মিথ্যা, এমন সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে আপনার মতো একজন সর্বজন পরিচিত সম্পাদক যথাযথ অনুসন্ধান করবেন এবং সুচিন্তিত পদক্ষেপ নেবেন বলে প্রত্যাশা করছি। আমরা আশা করব যে, আপনার নন্দিত দৈনিকে প্রকাশিত ভুল তথ্য সঠিক করার জন্য আমাদের এই প্রতিবাদলিপি ছাপাবেন।

ধন্যবাদান্তে,
মোহসেনা হাসান 
জেনারেল ম্যানেজার, পাবলিক রিলেশন অ্যান্ড মিডিয়া
সামিট কর্পোরেশন লিমিটেড

বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবাদলিপি: https://www.bd-pratidin.com/news/2025/08/26/1151115